জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি গ্রহনে অনীহা রোহিঙ্গা’রা

লিডনিউজটুয়েন্টিফোর.কম,
ডেক্স রিপোর্ট :: কক্সবাজারের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. পিন্টু ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষরা নেতিবাচক মনোভাব পরিবর্তন করে জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহী হয়ে উঠছে। তারা জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পুরোপুরি অজ্ঞ।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রায় আড়াইশ স্বাস্থ্যকর্মী ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে ইতোমধ্যে দেড় লাখ নারী-পুরুষকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন করেছেন।

এ ছাড়া ১০ হাজার রোহিঙ্গা নারীকে জন্মনিরোধক ইনজেকশন, দুই হাজার পাঁচশ নারীকে জন্মনিরোধক ট্যাবলেট ও ছয়শ পুরুষকে কনডম সরবরাহ করা হয়েছে।

উখিয়া ও টেকনাফের ছয়টি স্থায়ী ও সাতটি অস্থায়ী কেন্দ্র থেকে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বালুখালী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা তরুণ কলিম উল্লাহ বিয়ে করেছেন সাড়ে তিন বছর। এরই মধ্যে তার দুই সন্তান। আর সন্তান না নিয়ে এই দুই সন্তানকে ভালোভাবে মানুষ করলে কেমন হয়, এ মন্তব্যের উত্তরে কলিম বলেন, ‘আমার স্ত্রী বলে সন্তান হলে আমি না নেওয়ার কে? বাংলাদেশে আসার পর থেকে অনেক ডাক্তার আমাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে বলেছেন। কিন্তু আমার স্ত্রী রাজি হচ্ছে না। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছি।’

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় রাখাইনে জনসংখ্যার হার অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশি। একেকটি দম্পতির পাঁচ থেকে ১০ জন সন্তান রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এই সংখ্যা আরো বেশি। এ কারণে বাংলাদেশে পলিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সংখ্যকই শিশু। অনেক রোহিঙ্গা নারী গর্ভবতী অবস্থায় রয়েছেন। অনেকে বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে সন্তানও প্রসব করেছেন। ফলে রোহিঙ্গা শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। – বাসস

You May Also Like